২০১৯ সাল থেকে আমরা বাংলাদেশের বেটিং জগতে একটাই লক্ষ্যে কাজ করছি – এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে দেশের প্রতিটি কোণের মানুষ নিরাপদে, স্বাচ্ছন্দ্যে এবং নিজের ভাষায় খেলতে পারেন।
EC77 কেন বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের পছন্দ – ছয়টি কারণ
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন বেটিং মানেই বিদেশি সাইট, ইংরেজি ইন্টারফেস, ডলারে পেমেন্ট। সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য পুরো ব্যাপারটাই ছিল জটিল এবং অস্বস্তিকর। এই সমস্যাটা দেখেই EC77-এর প্রতিষ্ঠাতা দল সিদ্ধান্ত নেন – এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে যেটা সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
শুরুটা ছিল একেবারে ছোট পরিসরে। মাত্র কয়েকটি ক্রিকেট বেটিং মার্কেট আর একটা সাদামাটা ইন্টারফেস নিয়ে। কিন্তু বাংলা ভাষায় সাপোর্ট আর Mobile Pay পেমেন্টের সুবিধা দেওয়ামাত্র সাড়া মিলল। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী – দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ EC77-এ আসতে শুরু করলেন। প্রথম ছয় মাসেই নিবন্ধন ছাড়াল পঞ্চাশ হাজার।
"আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের মানুষ সেরা অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য – নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট মাধ্যমে, নিজের সুবিধামতো সময়ে।"
— EC77 প্রতিষ্ঠাতা দল
২০২০ সালে EC77 লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু করে। বাস্তব ডিলারের সাথে রুলেট, ব্যাকারা এবং ব্ল্যাকজ্যাক খেলার সুযোগ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কাছে একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা ছিল। একই বছর Nagad ইন্টিগ্রেশন যোগ হলে পেমেন্ট আরও সহজ হয়ে যায়। ততদিনে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দুই লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে।
২০২১ থেকে ২০২৩ – এই সময়টা EC77-এর জন্য ছিল দ্রুত বিস্তারের কাল। স্লট গেম, স্পোর্টস বেটিংয়ে নতুন মার্কেট, লাইভ স্ট্রিমিং – একের পর এক ফিচার যোগ হয়েছে। দলের আকার বেড়েছে, কিন্তু মূল দর্শন একটুও পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর সুবিধাই সব সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে।
আজকের EC77 একটা পরিপক্ব প্ল্যাটফর্ম। দশ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য, পনেরোশোরও বেশি গেম ও বেটিং মার্কেট, এবং একটা দেড়শো জনের বেশি কর্মী দল – যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যবহারকারীর সংখ্যা, যা প্রমাণ করে যে মানুষ সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্য বাংলা প্ল্যাটফর্ম চাইছিলেন।
তবে সংখ্যার চেয়েও বড় কথা হলো মানুষের আস্থা। ময়মনসিংহের একজন কৃষক ছেলে যিনি কখনো ইংরেজি সাইট বুঝতেন না, তিনি এখন EC77-এ নিজের ভাষায় ক্রিকেট বেট করেন। বরিশালের একজন গৃহিণী যিনি ক্যাসিনো সম্পর্কে কিছু জানতেন না, তিনি এখন ডেমো মোডে স্লট খেলে আনন্দ পাচ্ছেন। এই মানুষগুলোর গল্পই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
EC77 দায়িত্বশীল গেমিংয়েও আপোষ করে না। ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং বয়স যাচাইয়ের কড়াকড়ি আমাদের প্ল্যাটফর্মে সবসময়ই ছিল। আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন আনন্দদায়ক হওয়া উচিত, ক্ষতিকর নয়। সেই লক্ষ্যে আমাদের কমপ্লায়েন্স টিম প্রতিনিয়ত কাজ করছে।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে বলতে গেলে, EC77 আরও বেশি স্থানীয় স্পোর্টসকে কভার করতে চায়। কাবাডি, হা-ডু-ডু, এমনকি দেশের স্থানীয় ফুটবল লিগ – এই বিষয়গুলোতে বেটিং মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা চলছে। পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের ব্যবহারকারীদের জন্য আরও হালকা ও দ্রুত অ্যাপ ভার্সন আনার কাজও চলছে।
শেষ কথা হলো, EC77 শুধু একটা ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়। এটা বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন জগতে একটা পরিবর্তনের চেষ্টা। আমরা চাই দেশের প্রতিটি মানুষ যেন বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পান – বাড়িতে বসে, নিজের ভাষায়, নিজের টাকার মাধ্যমে। এই স্বপ্ন নিয়েই আমরা প্রতিদিন কাজ করি।
EC77-কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মানুষগুলো
আমাদের পুরো দলের ৭০%-এরও বেশি বাংলাদেশি। ঢাকার অফিস থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট সেন্টার পর্যন্ত – EC77 একটি বাংলাদেশি কোম্পানি, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি।
দশ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি ইতিমধ্যে EC77-এ যোগ দিয়েছেন। আজই নিবন্ধন করুন এবং স্বাগত বোনাস পান।
১৮+ বছরের উপরে। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।